শুক্রবার ভার্চুয়াল ইউএস এম্বাসি অব ইরানের পক্ষ থেকে জারি করা এক জরুরি সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, মার্কিন নাগরিকরা যেন কোনোভাবেই সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দ্রুত ইরান ত্যাগ করেন। মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে শুরু হওয়া এক বিশাল গণআন্দোলনের ওপর রক্তক্ষয়ী দমনপীড়নের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিতে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ একটি বিশাল নৌবহর মোতায়েন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত জানুয়ারি থেকেই এই শক্তিশালী বাহিনী সেখানে অবস্থান করছে। ফলে সরাসরি যুদ্ধের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিমানের ফ্লাইট বাতিল বা বিঘ্নিত হতে পারে, তাই মার্কিন নাগরিকরা যেন প্রয়োজনে তুরস্ক বা আর্মেনিয়া সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেন।
বিশেষত মার্কিন-ইরানি দ্বৈত নাগরিকদের জন্য এই সতর্কতা আরও বেশি উদ্বেগের। কারণ ইরান সরকার দ্বৈত নাগরিকত্ব স্বীকার করে না এবং তাদের ওপর কড়া নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে।
|
২২ মার্চ, ২০২৬