কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাংলাবাজার এলাকায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুল মালেকের মৃত্যু হয়। তার বাড়ি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়ায়।
মাত্র ৩৩ বছর বয়স আবদুল মালেকের। তিনি সেখানকার সি-প্রবাল নামে একটি রিসোর্টের মালিক ছিলেন। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ডিগ্রি সম্পন্ন করে জড়িত হন পর্যটন ব্যবসা, সাংবাদিকতা ও কনটেন্ট তৈরির কাজে। কয়েক দিন পর সৌদি আরবে পাড়ি জমানোর কথা ছিল তার।
দ্রুত মৃত্যু হতে পারে, এমন কোনো আশঙ্কা ছিল না টগবগে এই তরুণে আব্দুল মালেকের। ছিল না কোনো অসুখ-বিসুখ। তবু নিজের ফেসবুকের বায়োতে লিখেছিলেন, মৃত্যুর পর আমার লাশটি জন্মভূমি সেন্ট মার্টিনে বাবা–মায়ের কবরের পাশে শায়িত করিও। কে জানত, তার অন্তিম ইচ্ছা পূরণ হয়ে যাবে এভাবে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে আবদুল মালেকের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী লাশ সড়কপথে টেকনাফ এবং সেখান থেকে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে ট্রলারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নেওয়া হবে। তারপর বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন বলেন, নিহত আবদুল মালেকের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন