আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায়।
সম্প্রতি গত ২৩ জানুয়ারি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, আমরা একটি আর্মাদা (যুদ্ধজাহাজের বড় বহর) ইরানের উদ্দেশে পাঠিয়েছি। যদি প্রয়োজন পড়ে…মানে আমি বলছি না যে কোনো কিছু ঘটতে যাচ্ছে, হয়তো এই বহর আমাদের ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না, তবে আমরা তাদের (ইরান) নিবিড় নজরদারির মধ্যে রাখছি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিমান বহকারী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম এবং বেশ কিছু গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বসী যুদ্ধজাহাজ ইরানের উদ্দেশে রওনা হয়েছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে ইরানের উপকূলের আশেপাশে এই যুদ্ধজাহাজের বহর অবস্থান নেবে।
এদিকে যুদ্ধবিমান বহকারী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম কে ইরানের হাইপারসনিক মিসাইল ফাত্তাহ মাত্র ৩-৪ মিনিটেই পানির সাথে মিশিয়ে দেয়ার সক্ষমতা রাখে বলে জানিয়েছেন সমরবিদরা।
শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন কি লেচগুটিয়ে পিছু হটবে? না ইরানে আক্রমণ করবে সেটি দেখার বিষয়।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত।
মার্কিন এই সামরিক শক্তিবৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় ইরান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছে, তারা যেকোনো ধরনের মার্কিন আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের রণতরী মোতায়েন করে ইরানি জাতিকে রক্ষা করার দৃঢ় সংকল্প থেকে তেহরানকে বিচ্যুত করা যাবে না।
মন্তব্য করুন