উখিয়া ৬৪ বিজিবির আওতাধীন উনছিপ্রাং বিওপির অভিযানে মালিকবিহীন ছয় কোটি টাকা মূল্যের দুই লক্ষ বারো পিস ইয়াবা উদ্ধার।
০৫ জুন ২০২৬ ইংরেজি প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে উখিয়া ৬৪ বিজিবির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন আনুমানিক ৬,০০,০৩,৬০০/- টাকা মূল্যের ২,০০,০১২ (দুই লক্ষ বারো) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ০৫ জুন ২০২৬ তারিখ ০০১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উনচিপ্রাং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৭ হতে আনুমানিক ০১ কিঃ মিঃ দক্ষিণ দিকে এবং বিওপি হতে আনুমানিক ০৪ কিঃ মিঃ দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইছাকের ঘের নামক স্থানে অবস্থান করে। আনুমানিক ০০২০ ঘটিকায় থার্মালের মাধ্যমে ০৩ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি মায়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। উক্ত চোরাকারবারির দল বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মিয়ানমারের দিকে দৌড়াতে থাকে। এ প্রেক্ষিতে বিজিবি নন লেথাল অস্ত্র দ্বারা তাৎক্ষনিক ২ রাউন্ড প্রাণঘাতী নয় এমন গুলি ফায়ার করলে চোরাকারবারীগণ তাদের হাতে থাকা ০৩টি পলিথিনের পোটলা ফেলে রেখে দ্রুত দৌড়ে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে পলিথিনের মধ্যে পেচানো খাকী রঙ্গের প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ২০ কাট অর্থাৎ ২,০০,০১২ (দুই লক্ষ বারো) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশি করা সত্ত্বেও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৬,০০,০৩,৬০০/- (ছয় কোটি তিন হাজার ছয়শত) টাকা। উক্ত এলাকায় পলায়নরত চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে উক্ত চোরাকারবারীদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক(সিও) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারীদেরকে শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।
মন্তব্য করুন