রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায়! এতিমের হক আত্মসাতের অভিযোগ থাইংখালীর মিছবাহ উদ্দিন মেম্বারের বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
থাইংখালীর জনপ্রতিনিধি মিছবাহ উদ্দিন সেলিমের বিরুদ্ধে এতিমখানার চামড়ার টাকা আত্মসাত ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধুসেজে এতীমখানার লবণজাত করা ৩৬০ পিচ চামড়া নিয়ে গত এক বছরে ও টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা শুরু করেছে।
অভিযোগে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইকং ইউনিয়নের “উনছিপ্রাং দারুল ইরফান মাদরাসা ও এতিমখানা কতৃপক্ষ গত বছর ২০২৫ সালের কুরবানির মৌসুমে এতিমখানার জন্য চামড়া সংগ্রহ করে সরকারীভাবে বরাদ্দকৃত লবণ দিয়ে পক্রিয়াজাত করে।
উখিয়া উপজেলার থাইংখালীর মিছবাহ উদ্দিন সেলিম ঢাকা টেনারীতে নিয়ে যাওয়ার সময় মার্কেট রেটে দাম দেয়ার শর্তে লবণজাত করা ৩৬০ পিচ চামড়া দেয়। টেনারীতে চামড়া বিক্রির এক বছর অতিবাহিত হলেও নানা তালবাহানা ও অজুহাতে এতিমখানার চামড়ার কোন টাকা দেয়নি। বরং আগামী মাসে দেবো,টাকা পাইনি বলে বার বার কালক্ষেপণ করছে।
মাদরাসা কতৃপক্ষ বহুবার যোগাযোগ করে ও ব্যর্থ হয়। আজ দেবো,কাল দেবো বলে কথা দিয়ে ও কথা রাখেনি মিছবাহ উদ্দিন সেলিম।
মাদরাসার নির্বাহী পরিচালক, প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ তাহের নঈম বলেন, আমি নিজেই এতীমখানা চামড়া মিছবাহ উদ্দিন কে হস্তান্তর করি। দুঃখের বিষয় তিনি ইসলামী ভাবধারার নেতা এবং একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে ও এতীমের হক গিলে খাবে তা আশা করিনি।
থাইংখালীর আবুল হোছাইন নামক মিছবাহ উদ্দিনের আরেক পার্টনার বিষয় টি বসে মিমাংসা করার আশ্বাস দিয়ে ও তা সুরাহা করেননি।
এ ব্যাপারে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুরউদ্দিন চৌধুরীকে বিষয়টি অবহিত করে সমাধান করার কথা বললে তিনি আইনী ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন।
মাদরাসার পরিচালক মাওলানা শমসুল আলম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি এভাবে প্রতারণার আশ্রয় নিবে তা কল্পনা ও করিনি।
এতীমের হক নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে উক্ত মিছবাহ উদ্দিন।
এ ব্যাপারে টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মাওলানা শমসুল আলম। তিনি আইনী ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে মিছবাহ উদ্দিন সেলিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চামড়া বিক্রির টাকা এখনো পাইনি বলে জানান।
মন্তব্য করুন