দৈনিক নতুন বাংলা
১২ জুলাই ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

বন্যার ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে: চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ১২ লাখ মানুষ পানিবন্দি

ডেস্ক রিপোর্ট : চট্রগ্রামের সাত উপজেলায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো যাচ্ছে না ত্রাণ। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। কক্সবাজারে সাত দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছেন লাখ লাখ মানুষ।

জেলার বিস্তীর্ণ জনপদ পানির নিচে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন আড়াই লাখ মানুষ।   সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, কৃষি ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ৫ জুলাই থেকে গতকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে ও পাহাড় ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গত এলাকায় খাদ্য সহায়তা অপ্রতুল। টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকটও তীব্র। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জারি করেছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। রাঙামাটির নিম্নাঞ্চলে বন্যায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে পশুর খামার। পানিতে তলিয়ে আছে ফসলি জমি। বান্দরবান শহর আবার প্লাবিত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সাবস্টেশনের ট্রান্সফরমার ডুবে যাওয়ায় বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। হবিগঞ্জে আরও ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
রাজশাহীতে বাড়ছে পদ্মার পানি। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জারি করেছে ৭ জরুরি নির্দেশনা।

চট্টগ্রাম : বাঁশখালী উপজেলার বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বাহারছড়া ইউনিয়নের বৃহত্তর গ্রাম ইলশা। এই গ্রামের হামিদ কাজির পাড়ার বাসিন্দা আবদুল করিম। বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন আশ্রয়কেন্দ্রে। শনিবার পানি কিছুটা কমলে বাড়ি গিয়ে দেখেন তাদের মাটির ঘরটি ভেঙে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম, সকিয়া ইয়াসমিনসহ অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁই বন্যার পানিতে ভেঙে গেছে। বাঁশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে বাহারছড়া ইউনিয়ন অন্যতম। উপকূলীয় এই ইউনিয়নের নয়টি গ্রামের মধ্যে পূর্ব ইলশা, পশ্চিম ইলশা, মধ্য ইলশা, উত্তর ইলশা, রত্নপুর, চাপাছড়িসহ প্রায় পুরো এলাকাই পানির নিচে তলিয়ে ছিল টানা চার দিন। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাদের।   চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, বাহারছড়া ইউনিয়নের মতো চট্টগ্রামের ১৬ উপজেলায় ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। বর্তমানে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার পানিবন্দি এবং ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন। গত পাঁচ দিনে পাহাড়ধস, দেয়ালধস ও পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ১০ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে। যদিও সরেজমিন পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত সাত উপজেলায় ২ লাখের বেশি পরিবারের ১০ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি।

২৯৭ কিমি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত : প্রাথমিকভাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ২০টি সড়কের ৫০ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন জেলার ৫১৪টি সড়কের ২৪৭ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার অংশ এবং ১৭৬টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলো।

আরও এক শিশুর মৃত্যু : বন্যার পানিতে ডুবে সাতকানিয়ার দক্ষিণ রূপকানিয়া এলাকায় ইসমাইল হোসেন (২) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ইসমাইল ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল আবেদীনের পুত্র।

রাঙ্গুনিয়ায় সেতু ধস : পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ইউনিয়নের শিলক খালের ওপর নির্মিত ব্রিজঘাট বেইলি সেতু ধসে রাঙ্গুনিয়া-বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে দুই পাশে হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) ভোররাতের দিকে এই ঘটনা ঘটে।

জোয়ারে ভেসে এসেছে অজ্ঞাত যুবকের লাশ : চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরুয়াপাড়া সাত্তার মাঝির ঘাট এলাকায় সাগরের জোয়ারে ভেসে আসা অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বেড়িবাঁধের ব্লকের সঙ্গে আটকে থাকা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

কক্সবাজার : কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। চার-পাঁচ দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুর্গতরা। পানিবন্দি হাজারো পরিবারে পৌঁছায়নি কোনো ধরনের খাদ্যসহায়তা। প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকটও তীব্র হয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা এবং বন্যাকবলিত নিচু স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, বন্যায় কক্সবাজারের ৬৯টি ইউনিয়ন কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো পানিবন্দি রয়েছে আড়াই লাখ মানুষ।

রাঙামাটি : রাঙামাটির নিম্নাঞ্চলে বন্যায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও রাজস্থলী উপজেলায় দুর্ভোগ চরমে। ডুবে গেছে গোলা ভরা ধান ও ফসলসহ জমি। ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে গবাদি পশুর খামার। রাজস্থলী উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে দুই খামারির ৮টি গুরুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকালে রাজস্থলী উপজেলায় ১ নম্বর ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহাজনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

বান্দরবান : বান্দরবান জেলা শহর আবার প্লাবিত হয়েছে। জেলা শহরের মেম্বারপাড়া, ইসলামপুর, ফায়ার সার্ভিস এলাকা, বড়ুয়ার টেক, আর্মিপাড়া, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ক্যাচিংঘাট, মুসলিমপাড়া ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় পানি বেড়ে কোথাও কোথাও ৮ ফুট পর্যন্ত ডুবে গেছে। বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন ব্রিজ-সংলগ্ন বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের একটি ট্রান্সফরমারসহ বেশ কিছু যন্ত্রপাতি আংশিক ডুবে গেছে। এর ফলে এ সাবস্টেশনটিকে বন্ধ রেখে বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ১২টায় সাঙ্গু নদী বান্দরবান শহর পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে মাতামুহুরী নদীতে বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

হবিগঞ্জ : টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জে বন্যার পানিতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরও অন্তত ১২টি গ্রাম। এর আগে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়ন ও বাহুবল উপজেলার লামাতাসি ইউনিয়নসহ আশপাশের অন্তত ২৫টি গ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওইসব গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। বিশেষ করে বন্যাদুর্গতদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

নোয়াখালী : টানা বর্ষণের প্রভাব পড়েছে নোয়াখালী জেলা শহর ও দ্বীপ হাতিয়ায়। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আর এতেই নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীর প্রধান সড়ক ও দ্বীপ হাতিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টিতেই চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পৌরসভার প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার বাসিন্দা। এদিকে উপকূলীয় হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ, তমরুদ্দী, নলচিরাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

সাতক্ষীরা : দুই দিনের রাতভর টানা বর্ষণ ও দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টিপাতে সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ভেসে গেছে মৎস্য ঘের, ছোটবড় পুকুর। পানিতে তলিয়ে আছে খালবিল, বাড়ির আঙিনা। এ ছাড়া পানিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেশ কিছু অফিস প্রাঙ্গণ পানিতে থইথই করছে। চরম দুর্ভোগকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সরকারি অফিসে কাজে আসা সাধারণ মানুষ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা : দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দুর্গত এলাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সাতটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরি ভার্চুয়াল সভা হয়। সভায়  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), সব বিভাগীয় পরিচালক, সব জেলার সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অনুমোদনক্রমে সাতটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টেকনাফের দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক মহলের উদ্বেগ: মামলা প্রত্যাহারের দাবী

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ব্যবসায়ীদের

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমানা পুনঃবিন্যাস,বিভক্তিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ

জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার

১২৮ বারের মত পেছাল সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া সেই ফরিদা ইয়াসমিন এখনও ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ পদে

বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট: ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ ফের পুনর্বহাল করা হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন সেই জামায়াত এমপির ড্রাইভার

টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব, নেত্রকোনায় নির্বাচন অফিসের ৩ জন চাকরিচ্যুত

দুর্নীতির মামলায় টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদন্ড

১০

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়লো তেলের দাম

১১

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম :

১২

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হতে ‘স্নাতক ডিগ্রি’ বাধ্যতামূলক করতে রুল জারি

১৩

বিএনপি সরকার বারবার ফিরে আসে, বাকিরা দেশ থেকে পালিয়ে যায়: তথ্যমন্ত্রী

১৪

বন্যার ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে: চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ১২ লাখ মানুষ পানিবন্দি

১৫

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৬

রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায়!  এতিমের হক আত্মসাতের অভিযোগ থাইংখালীর মিছবাহ উদ্দিন মেম্বারের বিরুদ্ধে।

১৭

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না: ট্রাম্প

১৮

মেসির অন্যরকম বিশ্বকাপ: সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ

১৯

কোস্ট গার্ডের মাদক বিরোধী অভিযান: টেকনাফে প্রায় ৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক

২০