দলকে সতেজ রাখতে তুলে নিয়েছেন বাড়তি দায়িত্বও। সম্ভবত এটাই মেসির শেষ বিশ্বকাপ। এলএম টেন নিজেও জানেন সে কথা। লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার কোচ হওয়ার পর মেসিকে পেয়েছেন ৭০টি ম্যাচে।
একটা সময় আর্জেন্টিনা আগ্রাসী ফুটবলে বিশ্বাসী ছিল। ১৯৭৮ এবং ১৯৮৬ সালে আগ্রাসী রণকৌশলেই বিশ্বজয় করেছিল তারা। স্কালোনি এসে খেলার ধরন পরিবর্তন করেছেন। গুরুত্ব দিয়েছেন রক্ষণ সংগঠনে। এ কাজে মেসির সম্পূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপেও রক্ষণকে আলাদা গুরুত্ব দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ। এই পরিকল্পনায় মেসিকে একটু নিচে থেকে খেলান স্কালোনি। নিজের অর্ধের মাঝামাঝি জায়গা থেকে প্রতিপক্ষের বক্স পর্যন্ত মেসি নেতৃত্ব দেন দলকে। প্রয়োজনে রক্ষণেও নেমে যান। বিপক্ষের ডিফেন্ডারদের কড়া ট্যাকল এবং নজরদারি থেকে মেসিকে বাঁচাতেই নিচে নামিয়ে এনেছেন স্কালোনি।
মেসি নিজেও সতীর্থদের সবসময় উৎসাহিত করেন। জাতীয় দলের সতীর্থদের জন্য তাঁর ফোন সব সময় খোলা থাকে। যে ম্যাচগুলো খেলতে পারেন না, সেই ম্যাচগুলোর আগেও পরামর্শ দেন।
দলের ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে আমরা ১-০ ব্যবধানে জিতেছিলাম। ওই ম্যাচের আগে মেসি আমাদের ভিডিও কল করে। উৎসাহিত করে। পরামর্শ দেয়। ওই আমাদের নেতা। আমরা সৈনিক। মেসির জন্য আমরা সব কিছু করতে পারি। দলে মেসি না থাকলে আমাদের ভাল লাগে না। মনে হয় কিছু একটার অভাব হচ্ছে। মেসির উপস্থিতিই আমাদের কাছে অনেক কিছু।
মন্তব্য করুন